দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার উপায়

দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার উপায়ঃ স্বামী-স্ত্রীর জীবনে সবচেয়ে বেশি সুখের সময় হলো তাদের মধু চন্দ্রিমা বা হানিমুনের সময় টা। সবকিছু যেন নতুন নতুন, চারিদিকে ভালোলাগা একটা হাওয়া বইতে থাকে সব সময় মনের ভেতরে। কিন্তু সেই সুখ আর ভালোবাসা পরবর্তী জীবনে গিয়ে আগের মতো এতটা প্রবল ভাবে দেখা যায় না। পৃথিবীতে খুব কম সংখ্যক স্বামী স্ত্রী আছেন যাদের মধ্যে প্রচন্ড পরিমানে ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। আজকের দিনে ডিভোর্স, পরকীয়া এবং আলাদা থাকা যেন নৈমিত্তিক একটা ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। এত সমস্যার মূলে একটাই কারণ কাজ করে যেটি হল দাম্পত্য জীবনের সুখের অভাব। ২০১৮  সালের একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে সারা পৃথিবীতে দাম্পত্য জীবনের শুরুর পাঁচ বছর ৭৮ শতাংশ মানুষ সুখে থাকতে পারে, কিন্তু তার পরে সেই হার নেমে আসে ৫৩ শতাংশে। 

Ask Question

দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার উপায়

দাম্পত্য জীবনে সুখ-শান্তি না থাকার ফলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সব সময় ঝগড়া বিবাদ, মানসিক অশান্তি এবং অসামঞ্জস্যতা কাজ করে। এর প্রভাব অনেক সময় গিয়ে পড়ে সন্তানদের ওপরে। তাই বলা যায় দাম্পত্য জীবনে সুখী থাকা মানুষের জন্য অপরিহার্য একটি বিষয়। তাহলে চলুন কিভাবে দাম্পত্য জীবনে সুখী থাকবেন সে ব্যাপারে আলোকপাত করা যাক। 

কি খেলে ১ ঘন্টা সহবাস করা যায়

১. একে অপরকে সম্মান করুন

Honey Sponsored

পৃথিবীর প্রত্যেকটি সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে একে অপরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন। ঠিক একইভাবে আপনি যদি একটি মানসম্মত দাম্পত্য জীবন পেতেচান তাহলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আপনার সঙ্গী কে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। আপনার সঙ্গীর চাওয়া-পাওয়া, মতামত, পছন্দ-অপছন্দ এগুলোকে প্রাধান্য দেয়ার মাধ্যমে আপনি তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে পারেন যা তাকেও আপনার প্রতি সম্মান দেখাতে বাধ্য করে তুলবে। 

২. বর্তমান সময় নিয়ে ভাবুন

সম্পর্ককে দিন দিন উন্নত করতে হলে অবশ্যই আপনার সঙ্গীর অতীত নিয়ে কথা বলা বন্ধ করতে হবে। আপনাকে মনে রাখতে হবে যে পৃথিবীর কোন মানুষই চিরজীবন ভালো বা খারাপ থাকে না। হতে পারে আপনার সঙ্গীর কোন তিক্ত অতীত আপনাকে বার বার নাড়া দিচ্ছে। কিন্তু সেই বিষয়টি নিয়ে আপনি বর্তমান সময়ে যত বেশি কথা বলবেন আপনাদের মধ্যে অশান্তি ততই বেশি হবে। তাই অতীতে যা হবার হয়েছে সেটা ভুলে গিয়ে বর্তমান সময়ে দুজন দুজনকে নিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করুন। কিভাবে ভবিষ্যৎ কে আরো বেশি ভালো করা যায় সেটা নিয়ে ভাবতে থাকুন। 

আরো পড়ুনঃ সুস্থ্য থাকতে কতক্ষণ সহবাস করা উচিত

৩. সঙ্গীর কথা শুনুন

পরিবারের কোন ব্যাপারে মতামত দেবার যেমন আপনার অধিকার রয়েছে তেমনি আপনার সহধর্মিনীর ও রয়েছে। তাই কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবার আগে আপনার সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং সেটা একবার হলেও ভেবে দেখুন। এতে করে আপনাদের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় থাকার পাশাপাশি আপনি কার্যকরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন। 

৪. প্রশংসা করুন

কোন মানুষের প্রশংসা করলে সে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার প্রতি পজিটিভ মনোভাব পোষণ করবে। সেই প্রশংসা যদি হয় আপনার সঙ্গীর তাহলে তো কোন কথাই নেই। আপনাদের বিয়ের ১৫ বছর পরেও গিয়ে যদি আপনি আপনার সঙ্গীর প্রশংসা করেন তাহলে আপনাদের মধ্যে ভালোবাসা ঠিক আগের মতই বেড়ে যাবে। আপনার সঙ্গী ভাববে যে আপনি তাকে এখনো ততটাই ভালবাসেন যতটা ভালবেসে ছিলেন বিয়ের সময়। তাই সঙ্গীর ভালো কাজগুলোর প্রশংসা করুন। 

৫. ধন্যবাদ দিন

ধন্যবাদ খুব ছোট্ট একটি শব্দ হলেও এটি অনেক শক্তিশালী। ছোট ছোট কাজে যদি আপনি আপনার সঙ্গী কে ধন্যবাদ জানান তাহলে আপনাদের মানসিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটবে। আপনি যদি ধন্যবাদ জানান তাহলে একটা সময়ে গিয়ে আপনিও ধন্যবাদ পাবেন। এছাড়া মানুষের ছোট ছোট কাজের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলে মানুষ স্বভাবতই ভালোলাগা অনুভব করে। আর এই ছোট্ট একটি শব্দ বলার মাধ্যমে যদি আপনি আপনার সঙ্গীকে একটুখানি ভালোলাগা উপহার দিতে পারেন তাহলে সেটা মন্দ কি। 

৬. নিজের যত্ন নিন

মানুষ স্বাভাবিকভাবেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকতে পছন্দ করে। তাই আপনিও নিজেকে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন যাতে করে আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কখনো এমনটা ভাববেন না যে বয়স হয়ে গেছে বলে আপনার সৌন্দর্য কমে গেছে। আসলে মানুষের সৌন্দর্য নির্ভর করে সে নিজেকে কতটা পরিচ্ছন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে পারে তার ওপরে। তাই নিয়মিত চুল আঁচড়ানো, ব্রাশ করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা এই ব্যাপারগুলোতে মনোযোগ দিন। 

৭. ভাষা সংযত করুন

আপনার সঙ্গীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অন্যতম একটি উপায় হল ভদ্র ভাষায় কথা বলা। মনে রাখতে হবে যে প্রত্যেক মানুষেরই ব্যক্তিগত একটি সত্তা রয়েছে। আপনি যদি স্বামী হয়ে স্ত্রীকে নোংরা ভাষায় গালাগালি করেন তাহলে আপনার স্ত্রী স্বভাবতই আপনার উপরে মনঃক্ষুন্ন হবে। তাই স্বামী স্ত্রী একে অপরের সাথে যথাসম্ভব সংযত ভাবে কথা বলুন। এতে করে কখনো আপনাদের মাঝে মনোমালিন্য তা হবে না বরং সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটবে। 

আরো পড়ুনঃ সুন্দর যৌন জীবনযাপনের জন্য কয়েকটি টিপস !

৮. চুপ থাকুন

যদি কখনো কোনো কারনে আপনার স্ত্রী আপনার প্রতি উচ্চস্বরে গালিগালাজ করতে থাকে তাহলে কখনো আপনিও ঠিক একই কাজ করতে যাবেন না। সে যতক্ষণ আপনার সাথে চিৎকার-চেচামেচি করে কথা বললে ততক্ষণ আপনি চুপ করে বসে থাকবেন। এরপর যখন সে থেমে যাবে তখন আপনি বিষয়গুলো তাকে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন। এতে করে দুজনের মাঝে একটা বোঝাপড়া চলে আসবে। কখনো দুজনেই একসাথে রাগারাগি করে গালাগাল করবেন না। এতে করে পরিস্থিতি অনেক বেশি বিগড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। চলুন একটা গল্প বলি।

বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিস তার জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটাতেন জ্ঞান চর্চা করে। একদিন তার স্ত্রী তার উপরে খুব রেগে গিয়ে গালাগালি করছিল। সক্রেটিস বসে বসে বই পড়ছিলেন। যখন তার স্ত্রী দেখল যে সক্রেটিস কোন উত্তর দিচ্ছে না তখন সে সক্রেটিসের মাথার ওপরে গিয়ে এক বালতি পানি ঢেলে দিলো। সক্রেটিস তখন বলে উঠলেন যে আমি জানতাম কালো মেঘের গর্জন এরপরে এক পশলা বৃষ্টি সবকিছু ঠান্ডা করে দেবে। 

৯. একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করুন

মানুষের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার অন্যতম একটি উপায় হলো তাকে বোঝার চেষ্টা করা। আপনি যদি আপনার সঙ্গীকে বোঝার চেষ্টা করেন তাহলে দেখবেন তার চিন্তা-ভাবনা কোন না কোন দিক দিয়ে ঠিক আপনার চিন্তা-ভাবনার সাথে মিলে যাচ্ছে। তাই যেকোনো কথায় হঠাৎ করেই রেগে না গিয়ে একটু ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করুন। সব সময় বাস্তব পরিস্থিতির ওপর নির্ভর না করে বিষয়গুলি আবেগ দিয়ে বিচার করুন। 

১০. ভালোবাসার ভাষাগুলি বুঝতে শিখুন

ল্যাঙ্গুয়েজ অফ লাভ বিষয়টির ওপর এ সারা পৃথিবী জুড়ে অনেকগুলো বই লেখা হয়েছে। এই বই গুলোতে সাধারনত দেখানো হয়েছে পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের নিজস্ব এক ধরনের ভাষা রয়েছে যার মাধ্যমে সে তার সঙ্গীর প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করে। সেই ভাষা গুলি জানা এবং শোনার মাধ্যমে আপনি আপনার সঙ্গীকে সহজেই বুঝতে পারবেন। তার পছন্দ, ভালোলাগা, শখ এগুলো ও হতে পারে সঙ্গিনীকে বোঝার অন্যতম মাধ্যম। তাই সঙ্গিনীর ভালোবাসার ভাষা গুলোকে খুজে বের করুন এবং সেই অনুযায়ী তার সাথে আচরণ করুন। এতে করে আপনাদের মধ্যে সুখের কোন অভাব থাকবে না। 

১১. মেনে নিতে শিখুন

সম্পর্ক ভাঙ্গার সবচেয়ে বড় কারণ হল একে অন্যকে মেনে নিতে না পারা। আর এই ব্যাপারটি মহিলাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে। আপনাকে ভাবতে হবে যে যাকে আপনি বিয়ে করেছেন সে যেমন মানুষ ছিল আপনি চাইলেই বিয়ের পরে তাকে সেই অবস্থা থেকে পরিবর্তন করতে পারবেন না। সফল সম্পর্কের সূচনা করতে হলে নিজস্ব অবস্থা থেকে একে অন্যকে মেনে নেয়া শিখতে হবে। তাই সব সময় একে অন্যের দোষ অথবা দুর্বলতার দিকে দৃষ্টিপাত না করে ভালো দিকগুলোর প্রতি ফোকাস করুন। 

১২. একসাথে ঘুরতে যান

আপনি যদি পুরো সপ্তাহ জুড়ে অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকেন তাহলে সপ্তাহের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঠিক করে রাখুন আপনারা দুজন একটুখানি ঘোরাঘুরি করার জন্য। অল্প সময় হলেও দুজনে মিলে ঘোরাঘুরি করলে ভালো একটা সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। যদি সম্ভব হয় তাহলে মাঝে মাঝে বাহিরে ডিনার করুন। এতে আপনাদের দুজনেরই মন ভালো থাকবে। 

১৩. রোমান্টিক হন

বিয়ের আগের সম্পর্ক গুলো অত্যন্ত মধুর হবার একমাত্র কারণ হল রোমান্টিক মন-মানসিকতা। যদি এই সম্পর্কটাকে বিয়ের পরেও আপনি সতেজ করে রাখতে চান তাহলে অবশ্যই রোমান্টিক হতে হবে। আপনি ভাবতেও পারবেন না যে সামান্য রোমান্টিক কথাবার্তা আপনার সম্পর্ককে কত দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। তাছাড়া সময় দেখা মাসিক ও গর্ভবতী থাকাকালে অনেক স্বামী তার সঙ্গিনীকে এড়িয়ে চলেন যা সম্পূর্ণ অনুচিত।

১৪. যৌন সঙ্গম

 যৌন সঙ্গম আপনার সম্পর্ককে জীবিত রাখতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে থাকে। শুধু তাই নয়,  যৌন সঙ্গম আপনার ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক কে নিমেষেই ঠিক করে ফেলতে পারে। গবেষকদের মতে  যৌন সঙ্গম স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে নৈমিত্তিক একটি কার্যকলাপ হওয়া উচিত। তবে সঙ্গম করার আগে সময় নিয়ে ফোরপ্লে করবেন। যদিও আপনার মুড ভালো না থাকে তবুও কখনো  যৌন সঙ্গম করতে আপনার সঙ্গে কে নিষেধ করবেন না। আপনাদের মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের একমাত্র বহিঃপ্রকাশ এবং পূর্ণতা হল সফল  যৌন সঙ্গম। তবে  যৌন সঙ্গম করার সময় অবশ্যই একাধিক পদ্ধতি, জায়গা, কক্ষ ব্যবহার করবেন। এতে করে সম্পর্কে বৈচিত্রতার কোন অভাব থাকবে না। 

১৫. উপহার দিন

আপনার সঙ্গিনীকে খুশি রাখতে হলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে ছোট ছোট গিফট করুন। তবে যদি আপনার জন্য সম্ভব হয় তাহলে মাসে একটি হলেও ছোট-খাটো উপহার আপনার সঙ্গীর জন্য বরাদ্দ করে রাখুন। এতে করে আপনার সঙ্গি সব সময় আপনার ওপর সন্তুষ্টি প্রকাশ করবে এবং ভালোবাসা বেড়ে যাবে বহুগুনে। 

১৬. পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করুন

সঙ্গীর সাথে ভালো সম্পর্ক করতে হলে তার মনের অবস্থা সম্পর্কে আপনাকে সচেতন হতে হবে। সেই সাথে অবস্থা অনুযায়ী আপনাকেও তার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করতে হবে। যদি আপনার সঙ্গীর দুঃখের সময় আপনি হাসি ঠাট্টায় মেতে থাকেন তাহলে সহজে আপনাদের সম্পর্কে ফাটল ধরবে। তাই সঙ্গীর মনের অবস্থা বোঝার পাশাপাশি সব সময় তার পাশে থাকার চেষ্টা করুন। 

দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার উপায় জেনে নিয়ে জীবনে সুখ শান্তি টিকিয়ে রাখতে নিজের সঙ্গিনীকে ইমপ্রেস করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে। এই পদ্ধতি গুলো ব্যক্তি ভেদে বিভিন্ন হয়ে থাকে। তবে এখানে এমন কিছু বিষয়ের কথা তুলে ধরা হয়েছে যা প্রায় বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে কাজ করে থাকে। আপনি চাইলেই এগুলোর পাশাপাশি আপনার মন মত বিশেষ কোনো উপায়ও অবলম্বন করতে পারেন নিজের দাম্পত্য জীবনকে সুখী করার উদ্দেশ্যে। আপনার সুখী দাম্পত্য জীবন আমাদের সফলতা। 

RelatedPosts

থাইরয়েড কি

থাইরয়েড কি? এর কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার। Thyroid in Bengali

অতি পরিচিত একটি গ্রন্থির নাম থাইরয়েড। গলার সামনের দিকে প্রজাপতি আকৃতির এই গ্রন্থিটি একটি মানুষের বৃদ্ধি, বিকাশ, শারীরবৃত্তীয় আর বিপাকীয় নানা ক্রিয়া-প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে থাকে। থাইরয়েড গ্রন্থির মিশ্রিত... Continue

ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল

ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল? ডায়াবেটিস নিয়ে প্রশ্নত্তোর।

ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে চান বেশিরভাগ ডায়াবেটিস এ আক্রান্ত রোগীরা। আমাদের আজকের লেখায় এ ধরনের কিছু প্রশ্নের উত্তর আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো। লেখাটি... Continue

food-calories

কোন খাবারে কত ক্যালরি তা জেনে নিন।

কোন খাবারে কত ক্যালরি থাকে তা আমাদের সকলের জন্যই জানা জরুরি। বিশেষ করে যারা ডায়েট করে থাকেন কিংবা খাবারের ব্যাপারে লাগাম এনেছেন তাদের জন্য এটি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।... Continue

কোন কনডম সবচেয়ে ভালো

কোন কনডম সবচেয়ে ভালো?

নতুন বিবাহিত পুরুষদের একটি সাধারণ প্রশ্ন হল কোন কনডম সবচেয়ে ভালো? আমাদের দেশে এবং দেশের বাহিরে যে সকল প্রতিষ্ঠান বৈধ উপায়ে কনডম উৎপাদন করে থাকে সে সবগুলোই নিরাপদ... Continue

দিনে কতবার মিলন করা যায়

এক রাতে কতবার মিলন করা যায় | দিনে কতবার মিলন করা যায়

এক রাতে কতবার মিলন করা যায় বা দিনে কতবার মিলন করা যায় এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া অত্যন্ত কঠিন একটি ব্যাপার। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এখন পর্যন্ত এমন কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য... Continue

মুখের-আঁচিল-দূর-করার-উপায়

আঁচিল কেন হয় | মুখের আঁচিল দূর করার উপায়

আজ আমরা মুখের আঁচিল দূর করার উপায় গুলো নিয়ে কথা বলব। ত্বকের জন্য বিব্রতকর একটি সমস্যা হল আঁচিল। যদিও এটি আমাদের শরীরের কোন ক্ষতি করে না তবুও যে... Continue